বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
Logo পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ২৫ Logo বুড়িচংয়ে আগুনে পুড়ে মরলো শেকলবন্দী কলেজছাত্র Logo যে সাত কারণে ইভ্যালি ধ্বংসের মুখে Logo চৌদ্দগ্রামে মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেপ্তার ৫ Logo এবার ধানমন্ডি থানার মামলায় রাসেল রিমান্ডে, শামীমা কারাগারে Logo কুমিল্লা-৭ আসনে বিজয়ী ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত Logo এবার নিজেদের নেতৃত্বে আন্দোলন-নির্বাচনের ছক কষছে বিএনপি Logo পরীক্ষায় ফেল করলে বিয়ে করা যাবে না, সরকারি নিয়ম Logo চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি রিপনকে রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লা ফেমাসের সংবর্ধনা Logo চৌদ্দগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল মজুমদারের ইন্তেকাল Logo বিনামূল্যে পাটবীজ, সার ও নগদ অর্থ বিতরণ Logo কুমিল্লা- ৭ উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত Logo কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত Logo আজ প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল কুদ্দুসের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী Logo চৌদ্দগ্রামে প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার চেষ্টা Logo ফারিয়ার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo Logo নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়

জালিয়াতি করে অন্যের সম্পত্তি বিক্রি

প্রশাসন / ৫৩ বার পঠিত
সময়: বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ

 ইউপি সচিব ও সদস্যসহ আট জনের বিরুদ্ধে 
আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল
 চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি : কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হিন্দু সেজে এক মুসলমানের সম্পত্তি বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা, ইউপি সচিব ও সদস্যসহ আট জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অভিযুক্তরা হলেন; দলিল গ্রহীতা উপজেলার আমানগন্ডা শালুকিয়া গ্রামের আবুল কাশেম, হিন্দু সেজে দলিলদাতা স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল বাহার ওরফে বুলেট বাহার, আবদুল কুদ্দুস, আবু আহমেদ ভুঁইয়া সোহাগ, আবুল হাসান ভুঁইয়া নয়ন, ইউপি সচিব দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, ভুমি অফিসের তহশীলদার আবুল খায়ের, দলিল লেখক আবুল হাশেম। বুধবার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই কুমিল্লার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামীম মিয়া।
দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, দলিল গ্রহীতা আবুল কাশেম ও দলিল দাতা ঘোলপাশা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল বাহার ওরফে বুলেট বাহার চলতি বছরের ১৪ ফেব্রæয়ারি দাতা সাজিয়ে নিজেকে হিন্দু পরিচয় দিয়ে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে গুণবতী সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল নং-৩৩২ এর মাধ্যমে একটি ভুয়া দলিল সৃজন করেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নুরুল বাহার ওরফে বুলেট বাহার একজন ইউপি সদস্য ও মুসলিম সম্প্রদায়। সে নিজেকে সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ অর্থ্যাৎ অন্যের রুপ ধারণ করে ভুয়া জন্ম ও ওয়ারিশ সনদ তৈরি করে এক হিন্দুর সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়। তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়, ৩নং বিবাদী আবদুল কুদ্দুস জাল দলিল শনাক্তকারী, ৪নং বিবাদী আবু আহমদ ভুঁইয়া সোহাগ ও ৫নং আবু হাসনাত ভুঁইয়া নয়ন জাল দলিলের স্বাক্ষী, ৬নং বিবাদী দেলোয়ার হোসেন মোল্লা ঘোলপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এবং ভুয়া জন্ম ও ওয়ারিশ সনদ সরবরাহকারী, ৭নং বিবাদী আবুল খায়ের তহশীলদার এবং ৮নং বিবাদী আবুল হাশেম এ জাল দলিলের লেখক। বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে আবুল কাশেম ও নুরুল বাহারকে ভুয়া জাল দলিল সৃজন করতে সহায়তা করে।
মামলার বাদী শাহজাহান মজুমদার জানান, ঘোলপাশা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল বাহার ওরফে বুলেট বাহার নিজেকে হিন্দু সেজে আমার ১৯ শতক জায়গা বিক্রি করে দেয়। এ ঘটনায় গত ৭ মার্চ শাহজাহান মজুমদার বাদি হয়ে কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতে ৮ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লাকে নির্দেশ প্রদান করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ শামীম মিয়া ১৮ মে আদালতে ৮ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
মামলার বিবরনে জানা যায়, মামলার বাদি শাহজাহান মজুমদারের দাদা মৃত তরব আলী গং ১৯৬৩ সালে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পুরান রাজবাড়ি থানার রাঙ্গামুড়া গ্রামে বসবাস করতেন। আর ক্ষিরোধ চন্দ্র সন্যাসী গং বসবাস করতেন বাংলাদেশের ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা গ্রামে। ১৯৬৩ সালের ১৭ জুলাই তরব আলী গং ক্ষিরোধ চন্দ্র সন্যাসী গংয়ের সাথে এক্সচেঞ্জ দলিল বিনিময় করে তরব আলী গং বাংলাদেশে আছেন এবং ক্ষিরোধ চন্দ্র সন্যাসী গং ভারতে চলে যান এবং সেখানে বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে তরব আলী গং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ক্ষিরোধ চন্দ্র সন্যাসী গংয়ের সাথে বিনিময় করা ১৯ শতক জায়গার উপরে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে ভুলবশত বিএস জরিপে ক্ষিরোধ চন্দ্র সন্যাসীর নামটি চলে আসায় তরব আলীর পুত্র মমতাজ উদ্দিন চৌদ্দগ্রাম থানার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা করেন। মামলা নং-১১১/১৯, বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। আর এ সুযোগটি কাজে লাগান ইউপি মেম্বার সীমান্ত এলাকায় অপরাধ জগতের সম্রাট নুরুল বাহার ওরফে বুলেট বাহার ওরফে সুভাষ দেবনাথ। তিনি ক্ষিরোধ চন্দ্র সন্যাসীর ছেলে ভারতীয় নাগরিক অকিন্দ দেবনাথের নামে ঘোলপাশা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম সনদ দেখিয়ে গত বছরের ১৪ নভেম্বর ভুমি তহশীলদার আবুল খায়েরের যোগসাজশে একটি নামজারি(জমা খারিজ) করিয়ে নেন। আর এ জমা খারিজে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করা হয়। দেড় মাসের ব্যবধানে অকিন্দ দেবনাথের পুত্র ভারতীয় নাগরিক সুভাষ দেবনাথের নামে একই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওয়ারিশ সনদপত্র ও একটি জন্ম সনদ দিয়ে ভুমি কর্মকর্তার যোগসাজশে ২৬ ডিসেম্বর আরও একটি নামজারি(জমা খারিজ) করিয়ে নেন। এরপর নিজেকে সুভাষ দেবনাথ দাবি করে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারী গুণবতী সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে নুরুল বাহার তাঁর বাড়ির পাশ্ববর্তী মৃত আবদুল গফুরের ছেলে আবুল কাশেমের নিকট ওই ১৯ শতক জায়গা বিক্রি করে দেয়।
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

সবর্শেষ পঠিত সংখ্যা

আকার্ইভ বাংলা ক্যালেন্ডার

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  

বাংলাদেশের সকল অনলাইন পত্রিকা সমূহ

ফেসবুকে আমরা

আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী

.

সুরক্ষা অনলাইন